Dhaka ০৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুন ২০২৪, ২ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ




গলায় দুধ আটকে শিশুর করুণ মৃত্যু

গলায় দুধ আটকে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর করুণ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি হংকংয়ের পো কোং এলাকায় ঘটেছে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে। সেদিন শিশুটির ২৫ বছর বয়সী মা তাকে দুধ পান করাচ্ছিলেন। তখন শিশুটির গলায় দুধ আটকে যায় এবং সে জ্ঞান হারায়। সন্তানকে অজ্ঞান হয়ে যেতে দেখে দ্রুত জরুরি পরিষেবাসংস্থায় ফোন দেন ওই মা। এরপর সংস্থার সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাকে আর বাঁচানো যায়নি।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট আরও জানিয়েছে, এ ঘটনার আগে ঠান্ডা ও কাশিতে ভুগছিল শিশুটি। এজন্য তাকে ডাক্তারও দেখানো হয়েছিল। বুধবার শিশুটিকে দুধ খাওয়ানোর সময় সে বমি করছিল। এরপর তা মা তার পিঠ চাপড়ে দেন। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই সে জ্ঞান হারায়।ছোট্ট শিশুদের ক্ষেত্রে দম বন্ধ হওয়ার বিষয়টি একটি গুরুতর চিন্তার বিষয়। অনেক সময় খাবার গেলার প্রক্রিয়াটি তাদের মধ্যে ঠিকমতো কাজ করে না।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, দুধ পানের সময় সেটি গলায় আটকে যাওয়ার সাধারণ কারণ হলো তারা যে পরিমাণ দুধ গিলতে পারে; তার চেয়ে বেশি দুধ তাদের মুখে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়ার সময় যদি কোনো শিশুর গলায় সেটি আটকে যায়, তাহলে সেটি হয় ফিডারের অবস্থানের কারণে। পরিমাণের যে বেশি দুধ বেশি যাচ্ছে কি না সেটির কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো স্তনে শিশুর অস্থিরতা, কাশি, দম বন্ধ হওয়া ও ঢোক।




বামনডাঙ্গায় বুড়িমারী এক্সপ্রেস ট্রেনটি যাত্রা বিরতির দাবিতে মানববন্ধন

x

গলায় দুধ আটকে শিশুর করুণ মৃত্যু

প্রকাশ: ০৩:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৪

গলায় দুধ আটকে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর করুণ মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি হংকংয়ের পো কোং এলাকায় ঘটেছে। হংকংভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট জানিয়েছে, গত বুধবার এ ঘটনা ঘটে। সেদিন শিশুটির ২৫ বছর বয়সী মা তাকে দুধ পান করাচ্ছিলেন। তখন শিশুটির গলায় দুধ আটকে যায় এবং সে জ্ঞান হারায়। সন্তানকে অজ্ঞান হয়ে যেতে দেখে দ্রুত জরুরি পরিষেবাসংস্থায় ফোন দেন ওই মা। এরপর সংস্থার সদস্যরা শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু তাকে আর বাঁচানো যায়নি।

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট আরও জানিয়েছে, এ ঘটনার আগে ঠান্ডা ও কাশিতে ভুগছিল শিশুটি। এজন্য তাকে ডাক্তারও দেখানো হয়েছিল। বুধবার শিশুটিকে দুধ খাওয়ানোর সময় সে বমি করছিল। এরপর তা মা তার পিঠ চাপড়ে দেন। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরই সে জ্ঞান হারায়।ছোট্ট শিশুদের ক্ষেত্রে দম বন্ধ হওয়ার বিষয়টি একটি গুরুতর চিন্তার বিষয়। অনেক সময় খাবার গেলার প্রক্রিয়াটি তাদের মধ্যে ঠিকমতো কাজ করে না।

স্বাস্থ্য বিষয়ক সংস্থা হেলথলাইনের তথ্য অনুযায়ী, দুধ পানের সময় সেটি গলায় আটকে যাওয়ার সাধারণ কারণ হলো তারা যে পরিমাণ দুধ গিলতে পারে; তার চেয়ে বেশি দুধ তাদের মুখে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিডার দিয়ে দুধ খাওয়ার সময় যদি কোনো শিশুর গলায় সেটি আটকে যায়, তাহলে সেটি হয় ফিডারের অবস্থানের কারণে। পরিমাণের যে বেশি দুধ বেশি যাচ্ছে কি না সেটির কয়েকটি সাধারণ লক্ষণ হলো স্তনে শিশুর অস্থিরতা, কাশি, দম বন্ধ হওয়া ও ঢোক।